Predestination: মাথে হ্যাং করে দেবার মতো সায়েন্স ফিকশন

কী দেখলাম, মাথা আমার সারাদিন ধরে ঝুলন্ত অবস্থায় আছে। অনেকদিন ধরে বই পড়ে বা সিনেমা দেখে হ্যাংওভার হয় না। ইচ্ছা করেই পরীক্ষার জন্য ভালো বই আর সিনেমা থেকে দূরে রয়েছিলাম। না জেনে এই মুভি দেখেছি এবং এখন ওঠতে বসতে হাঁটতে এই মুভির প্লট আর প্যারাডক্সে মাথায় বিশাল গন্ডোগোল পাকিয়ে আছে। একবার এক প্যারাডক্সের সমাধান করছি তো সেই সমাধানের জের ধরে আরেক প্যারাডক্স এসে হাজির হচ্ছে। গল্পটা বেশিই চমৎকার এবং একদম ইউনিক।

কখনো কি এমন ঘটনা শুনেছেন নিজেই নিজের প্রেমিক, নিজেই নিজের প্রেমিকা, নিজেই নিজের সন্তান, নিজেই নিজের মা, নিজেই নিজের বাবা। নিজেই নিজের প্রেমিক হয়ে নিজের প্রেমিকার সাথে বাকি জীবনটা কাটিয়ে দেবার জন্য বাধা হয়ে থাকা নিজেকে সরিয়ে ফেলার জন্য জন্য পিস্তল তাক করতে?- কী মাথা ঘুরছে? জট পাকাচ্ছে? 😀 😀 মাথায় জট লাগার দরকার আছে! ‘তুমি ভালো করেই জানো আমি কে? আমিও তাকে ভালোবাসি।’

সময় পরিভ্রমণ করে অতীতে গিয়ে মানুষের জীবন বাঁচাতে গিয়ে বিজ্ঞান ভিত্তিক নানা কৌশলগত সমস্যা। সময় ভ্রমণ করে অতীতে যাওয়া সম্ভব কি সম্ভব না তা পরে দেখা যাবে। যদি অতীতে যাওয়া যেতো তাহলে কেমন ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হয়ে হতো? সিনেমার কাহিনী কী তা বলে দেবার কোনো কারণ নেই। তবে একটা বলতে হবে, সিনেমার একদম প্রথম সেকেন্ডের দৃশ্য থেকে সর্বশেষ সেকেন্ড পর্যন্ত মাঝের সমস্ত ঘটনা একে অপরের সাথে জালের মতো সম্পর্কযুক্ত। তাই মাথা আউলে ফেলার উদ্দেশ্যে সিনেমাটি উপভোগ করলে একটা সেকেন্ডও বাদ দিয়ে যাওয়া যাবে না। টানা মনোযোগ রাখতে হবে। ‪হ্যাপি ওয়াচিং।‬ [টরেন্ট লিঙ্ক