Welcome to Zero to Infinity Q&A. To ask questions or answer any question please Register first. Thank You.

bluetooth কাজ করে কিভাবে?

3 like 0 dislike
132 views
asked Nov 1, 2013 in Physics by siam Khan (487 points)
26% Accept Rate
Share at -

2 Answers

3 like 0 dislike
answered Jan 25, 2014 by আজাদ (4,233 points)

ব্লুটুথ প্রযুক্তিতে কম ক্ষমতা বিশিষ্ট বেতার তরঙ্গের মাধ্যমে তথ্য পাঠানো হয়। এই যোগাযোগ ব্যাবস্থায় ২.৪৫ গিগাহার্ট্‌জ (প্রকৃতপক্ষে ২.৪০২ থেকে ২.৪৮০ গিগাহার্ট্‌জ-এর মধ্যে)-এর কম্পাংক ব্যাবহৃত হয়। শিল্প, বিজ্ঞান এবং চিকিৎসা ক্ষেত্রে ব্যাবহৃত যন্ত্রের জন্য উপরিউক্ত কম্পাংকের সীমাটি নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। এখন প্রশ্ন হল যে ব্লুটুথ অন্যান্য তরঙ্গ নির্ভর যন্ত্রের কার্যক্রমে বাধার সৃষ্টি করে কিনা? উত্তর হল "না"। কারণ ব্লুটুথ কর্তৃক প্রেরিত সিগন্যালের ক্ষমতা থাকে মাত্র ১ মিলিওয়াট, যেখানে সেল ফোন ৩ ওয়াট পর্যন্ত সিগন্যাল প্রেরণ করে। অর্থাৎ ব্লুটুথের নিম্ন ক্ষমতার সিগন্যাল উচ্চ ক্ষমতার সিগন্যালে কোন ব্যাঘাত সৃষ্টি করতে পারে না।

ব্লুটুথ একসাথে ৮টি যন্ত্রের মধ্যে যোগাযোগ সাধন করতে পারে।তবে প্রত্যেকটি যন্ত্রকে ১০ মিটার ব্যাসার্ধের একই বৃত্তের মধ্যে অবস্থিত হতে হয়, কারণ ব্লুটুথ প্রযুক্তি চারিদিকে সর্বোচ্চ ১০ মিটার পর্যন্ত ক্রিয়াশীল থাকে।এখন প্রশ্ন যে, A যন্ত্রের সাথে B যন্ত্রের যোগাযোগের সময় কাছাকাছি অবস্থিত অপর দুটি যন্ত্র C ও D-এর মধ্যের ব্লুটুথ যোগাযোগ ব্যাবস্থা বাধাগ্রস্থ হয় কিনা?(কেননা দুই যন্ত্রযুগলই একই কম্পাঙ্কের ব্লুটুথ প্রযুক্তি ব্যাবহার করছে)উত্তর হল "না"। কারণ এই সমস্যা সমাধানের জন্য ব্লুটুথ একটি পদ্ধতি ব্যাবহার করে যা কিনা "spread-spectrum frequency hopping" নামে পরিচিত। এই পদ্ধতিতে একই সময়ে একাধিক যন্ত্রযুগল একই কম্পাঙ্ক ব্যাবহার করে না।ফলে একে অপরের যোগাযোগ ব্যাবস্থাতে বাধার সৃষ্টি করে না। এ পদ্ধতিতে কোন একটা যন্ত্র নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে অবস্থিত কম্পাঙ্ক হতে ৭৯ টি পৃথক পৃথক কম্পাঙ্ক এলোমেলোভাবে গ্রহণ করে ও একের পর এক পরিবর্তন করে। ব্লুটুথের ক্ষেত্রে, ট্রান্সমিটার প্রতি সেকেন্ডে ১৬০০ বার কম্পাঙ্ক পরিবর্তন করে।ফলে একাধিক ভিন্ন ভিন্ন যন্ত্রযুগলের মধ্যে একই সময়ে একই কম্পাঙ্ক-এর তথ্য প্রেরণ অসম্ভব বললেই চলে।

Class সর্বোচ্চ অনুমোদিত হ্মমতা সীমা
(আনুমানিক)
মিলিওয়াট (mW) ডেসিবেল (dBm)
প্রথম শ্রেণী ১০০ mW ২০ dBm ~১০০ মিটার
দ্বিতীয় শ্রেণী ২.৫ mW ৪ dBm ~১০ মিটার
তৃতীয় শ্রেণী ১ mW ০ dBm ~১ মিটার

বেশির ভাগ হ্মেত্রে দ্বিতীয় শ্রেণীর ডিভাইসের কার্যকরী সীমা সর্বাপেক্ষা ঘটনেতে প্রসারিত করা হয় যদি তারা প্রথম শ্রেণীর transceiver তে সংযোগ করে, একটি নিখাদ দ্বিতীয় শ্রেণীর নেটওয়ার্কে তুলনা করেছে। এইটি উচ্চতর সুবেদিতার দ্বারা সম্পন্ন করা হয় এবং প্রথম শ্রেণীর ডিভাইসের প্রেরণ অধিকারী।

Version Data rate Maximum application throughput
ভার্সন ১.২ ১ মেগাবিটস/সেকেন্ড ০.৭ মেগাবিটস/সেকেন্ড
ভার্সন ২.০ + এনহ্যান্সড ডাটা রেট ৩ মেগাবিটস/সেকেন্ড ২.১ মেগাবিটস/সেকেন্ড
ভার্সন ৩.০ + হাইস্পিড ২৪ মেগাবিটস/সেকেন্ড See Version 3.0+HS.
ভার্সন ৪.০ See Version 4.0LE.

 

2 like 0 dislike
answered Jan 25, 2014 by আজাদ (4,233 points)
ওয়ারলেস প্রযুক্তিতে যোগাযোগের জন্য ব্লু-টুথ আরেকটি উল্লেখযোগ্য মাধ্যম । স্বল্প স্থানের দূরুত্বে যোগাযোগের জন্য এই প্রযুক্তি ব্যবহার হয়ে থাকে । এটি বর্তমানকালে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হচ্ছে মোবাইলে, এছাড়াও ডেক্সটপ , ল্যাপটপ কম্পিউটার, পিডিএ, ডিজিটাল ক্যামেরা , স্কানার, প্রিন্টার, হ্যাডফোন বিভিন্ন ক্ষেত্রেই এর ব্যবহার বিদ্যামান ।

তবে পূর্বে ইনফ্রেড একই উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করত । কিন্তু এতে ডাটা ট্রাসফারে কিছু অসুবিধা ছিল। খুব স্বল্প দূরুত্বে কাজ করত, এছাড়া দুটি ইনফ্রেড ডিভাইসের মধ্যে কোন বাধা থাকলে ( যেমন দেয়াল বা অন্য কিছুর ) , আর ডাটা ট্রান্সফার করতে পারত না। টেলিভিশন রিমোটে এ ব্যাপারটি হয়ে থাকে । রিমোটের সামনে যদি কোন কিছু থাকে তাহলে আর ডাটা ট্রাসফার করতে পারে না।
ব্লটুথ এ ধরনের সকল প্রকার সীমাবদ্ধতা দূর করতে সক্ষম হয়। কারণ এই প্রযুক্তি রেডিও ওয়েভের উপর নির্ভর করে । ফলে এর সামনে দেয়াল বা ভিন্ন কিছু থাকলেও যোগাযোগের কোন বিঘ্ন না ঘটিয়ে, খুব সুন্দরভাবেই ডাটা ট্রান্সফার করতে পারে । এছাড়া এটা ২.৪ গিগাহার্জ কম্পাঙ্কে কাজ করে । ফলে সকল ব্লুটুথ ডিভাইস প্রত্যেকটি প্রত্যেককে সাপোর্ট করে । কিন্তু এর সীমাবদ্ধতা হল, উচ্চকম্পাঙ্কের কারনে এটি মাত্র ৩০ ফিট অঞ্চল পর্যন্ত ডাটা ট্রান্সফার করতে পারে ।

4,677 questions

5,801 answers

1,861 comments

16,014 users

79 Online
0 Member And 79 Guest
Most active Members
this month:
  1. Reduan Hossain Riad - 1 points
Gute Mathe-Fragen - Bestes Mathe-Forum
...