Welcome to Zero to Infinity Q&A. To ask questions or answer any question please Register first. Thank You.

স্ট্রিং থিওরিটা কতটুকু গ্রহণযোগ্য?

7 like 0 dislike
851 views
asked Oct 20, 2013 in Physics by Tanjir H Chowdhury (249 points)
17% Accept Rate

edited Oct 20, 2013 by Abdullah Al Mahmud

জিরো টু ইনফিনিটির ফেসবুক গ্রুপে প্রশ্নটি করেছেন স্মৃতিহীন মানুষ

Share at -

5 Answers

5 like 0 dislike
answered Oct 20, 2013 by আসিফ সরদার জয় (111 points)
স্ট্রিং তত্ত্বকে মূলত আমরা যেরকম গীটার বাজাই ঠিক সেই যন্ত্রটির স্ট্রিং এর সাথে তুলনা করা যেতে পারে। এখানে একেকটা স্ট্রিং হল একেকটা থিওরি। আর মাঝখানের বিভিন্ন নোট হল একেকটা পার্টিকেল। সেটা বোসন পার্টিকেল (যেই পার্টিকেল শক্তি নিঃসরণ করে) বা ফারমিওন পার্টিকেল (যেই পার্টিকেল ম্যাটার মানে বস্তু তৈরি করে) দুই-ই হতে পারে। আবার এদের দুটিকে একত্রিত করতে হলে সুপার সিমিট্রির দরকার পরে। আর এতেই জন্ম নেয় সুপার স্ট্রিং থিওরির। আমাদের এই জগতে পাঁচ ধরণের সুপার স্ট্রিং থিওরি রয়েছে। বিভিন্ন তাত্ত্বিক পদার্থ বিজ্ঞানী যেমনঃ স্টেফেন হকিং, এডওয়ার্ড ওয়িটেন ও জোয়ান মালডেসেনা স্ট্রিং থিওরির পক্ষ নিয়ে বলেছেন- এটি হল আমাদের এই মহাজগতের প্রকৃতি জানার ব্যাপারে একটি প্রাথমিক পদক্ষেপ। এর কারন স্ট্রিং থিওরি কোয়ান্টাম ক্ষেত্র তত্ত্ব ও সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্বের মাঝে একটি ভারসাম্যপূর্ণ সংযোগ ঘটিয়ে হলগ্রাফিক নীতি ও ব্ল্যাক হোল তাপ গতিবিদ্যার মত কোয়ান্টাম গ্রাভিটির দিকে ইঙ্গিত প্রদান করে। আর এক্ষেত্রে আমরা একে 'স্ট্রিং থিওরি' বা 'এম থিওরি' যা বলি না কেন বিশেষ করে হকিং যা বলেছেন তা সত্যিই অন্তত আমি মনে করি ভেবে দেখার মত - "এম থিওরিই এই মহাজগতের একমাত্র ও পূর্ণাঙ্গ থিওরি হওয়ার দাবিদার।" তবে অন্যান্য পদার্থ বিজ্ঞানী যেমন- রিচার্ড ফেইমেন, রজার পেনরোজ এবং শেলডেন লি গ্লাশো শক্তি স্তরের ব্যাপারে কতটুকু কি হবে সে ব্যাপারে যথাযথ পরীক্ষালব্ধ ধারণা না দেওয়াতে স্ট্রিং থিওরির অনেক সমালোচনা করে বলেছেন- স্ট্রিং থিওরি তাই সর্ব-থিওরি হওয়ার ব্যাপারে ব্যর্থ হয়েছে।
বিগত কিছু দশক ধরে স্ট্রিং থিওরির একই জিনিস নিয়ে একেক জন একেক দৃষ্টি ভঙ্গি থেকে নতুন নতুন সব থিওরির কথা বলেছিলেন। তবে আশার কথা হল এগুলো দৃষ্টিগোচর হওয়ার পর থেকে স্ট্রিং থিওরির সংখ্যা কমে এসেছে। স্ট্রিং থিওরির এই দশকে এর নাম দেওয়া হয়েছে "দ্বিতীয় স্ট্রিং অভ্যুথান"। তবে স্ট্রিং তত্ত্ববিদরা যা সবাই একমতে বিশ্বাস করেন তা হল এত সব তত্ত্বের মাঝে না গিয়ে একটি সার্বজনীন তত্ত্ব বের করা। কেউ কেউ একে "এম থিওরি" বলে ডাকতেও পছন্দ করেন। কারন এটিই হল সমস্ত তত্ত্বের জননী।
সূত্রঃ উইকিপিডিয়া ও সুপার স্ট্রিং থিওরি । 
commented Oct 20, 2013 by স্মৃতিহীন মানুষ (101 points)
স্টিফেন হকিং বর্তমানে ১জন ১ম শ্রেণীর পদার্থবিজ্ঞানী। পরীক্ষিত তত্ত্ব না হলেও তিনি এই তত্ত্বের ওপর খুবই গুরুত্ব দিয়েছেন। এ থেকে বুঝা যায় এটি প্রমানিত হবার সম্ভাবনাই বেশী। একজন বিজ্ঞানী তার জীবনের শেষ প্রান্তে এসে কখনোই ভিত্তিহীন তত্ত্ব নিয়ে সময় নষ্ট করতে চাইবে না।
3 like 0 dislike
answered Jan 25, 2014 by আজাদ (4,233 points)

স্ট্রিং থিওরী কী???

এটা হল একটা তত্ত্ব যার প্রবক্তা জন শোয়ার্জ ও এডওয়ার্ড উইটেন । মহাবিশ্বের সবকিছুই স্ট্রিং নামক এক ধরণের অতি ক্ষুদ্র কণা দ্বারা গঠিত । এইটাই হল স্ট্রিং থিওরীর মূল কথা । এখন কীভাবে গঠিত , কেন গঠিত এসবগুলোই হল আমাদের আজকের আলোচ্য বিষয় ।

কেন এর আবির্ভাব

এই থিওরী মূলত আভির্কাভ হয় একটা কারণে । সেটা হল মহাবিশ্বের শেকর বিশ্লেষণ । আর এর আবিষ্কারের প্রেক্ষাপট অনেক বড় । আমি সংক্ষেপে একটু আলোচনা করলাম । পদার্থবিদ্যার চারটি মৌলিক বলের কথা আমরা নিশ্চই জানি । সেগুলো হল :

  • ১. মহাকর্ষ বল
  • ২.সবল নিউক্লিয় বল
  • ৩.দূর্বল নিউক্লিয় বল
  • ৪.তড়িৎ চুম্বকীয় বল

এখন তাত্বিক পদার্থবিদ্যার মূল কাজ হল এই বল গুলোকে একীভূত করা বা এক সুতোয় গাথা । আইনস্টাইন এই কাজ শুরু করেছিলেন , কিন্তু শেষ করতে পারেন নি । পরবর্তীতে এসে গ্লাসো , সালাম ও ভাইনবার্গ মিলে তড়িৎ চুম্বকীয় বল , আর দূর্বল নিউক্লিয় বলকে এক সুতোয় গাথতে সক্ষম হন । কিন্তু সব গুলোকে এক সুতোয় গাথা তখনও সম্ভব হয় নি । পরবর্তীতে কোয়ান্টাম তত্বের দ্বারা মহাকর্ষ বল বাদে অন্য সব বলকে এক সুতোয় গাথা সম্ভব হল ।আর এই মহাকর্ষবলকে এর সাথে গাথতে যে থিওরী আসল তা হল "আপেক্ষিকতার ব্যাপক তত্ত্ব" । কিন্তু বিরোধ দেখা দিল অন্য স্থানে । তখন কোয়ান্টাম তত্ত্ব ও আপেক্ষিকতার ব্যাপক তত্ত্ব নিয়ে গোল বাধল ।এদের পরস্পরের মধ্যে দেখা দিল বিরোধ । আপেক্ষিকতার ব্যাপক তত্ত্ব দিয়ে মহাবিশ্বের সবকিছুই ব্যাখ্যা করা যায় , আবার কোয়ান্টম থিওরী দিয়েও ব্যাখ্যা করা যায় । তবে , উভয়ের ক্ষেত্র ছিল আলাদা । যেমন , আপেক্ষিকতার ব্যাপক তত্ত্ব বৃহৎ স্থানে , যেমন : গ্রহ, তারকামন্ডল , নীহারিকার বিচলন এমনী মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ প্রভৃতি এর মাধ্যমে সঠিকভাবে ব্যাখ্যা করা যেত । আবার কোয়ান্টাম থিওরী দিয়ে আনবিক ও পারমানবিক স্তরের বিভিন্ন তত্ত্ব সঠিকভাবে ব্যাখ্যা করা যায় । এদের প্রত্যেকে নিজ নিজ ক্ষেত্রে সফল । কিন্তু ভাবছেন , তাহলে কেন এদের মধ্যে বিরোধ ? বিজ্ঞানীরা ভাবলেন , এইভাবে মহাবিশ্বের দুই রকম জগৎকে দুটি থিওরী দেয় ব্যাখ্যা করা যেন পদার্থবিজ্ঞানেরই ব্যার্থতা । যে সময় না পর্যন্ত এই দুই থওরীকে এক সুতোয় গাথা যাচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত মহাবিশ্বের সবকিছু সঠিকভাবে আমাদের জানা সম্ভব হবে না । আর কিছু ক্ষেত্রে এই দুটি থিওরী দিয়ে কোন কিছু ব্যখ্যা করতে গেলে সমস্যার সৃষ্টি হয় । যেমন, কৃষ্ঞ গহ্বরের ক্ষেত্রে । এ ক্ষেত্রে আপেক্ষিকতার তত্ত্ব অনুসারে আমরা জানি যে কৃষ্ঞগহ্বরে বস্তুসমূহ অত্যান্ত ঘন সন্নিবিষ্ট হয়ে তার কেন্দ্রে একটি ক্ষুদ্র বিন্দুতে বিলীন হয় । এক্ষেত্রে আমরা দেখছি, কৃষ্ঞগহ্বর একই সাথে অত্যান্ত উচ্চ ভর বিশিষ্ট ও অত্যান্ত ক্ষুদ্র আয়তনবিশিষ্ট একটা বস্তু । এখন , এই কৃষ্ঞগহ্বর ব্যাখ্যা করতে আপেক্ষিকতার তত্ত্ব লাগছে বৃহৎ ভরের কারণে সৃষ্ট মহাকর্ষ কেন্দ্রকে সামলাতে , আবার কোয়ান্টম তত্ত্ব লাগছে কৃষ্ঞগহ্বরের অত্যান্ত ঘন সন্নিবিষ্ট ক্ষুদ্রায়তনের কারণ ব্যাখ্যার জন্য । আর এই দুই তত্ত্ব একসাথে প্রয়োগ করতে গিয়ে দেখা যায় যে এই বিশেষ অবস্থায় তারা ভেঙে পড়ে ।যেমন ভাবে কোন শক্ত মাটির দলাকে চাপ দিলে ভেঙে পড়ে তেমন ভাবেই । আর মহাবিশ্বের শুরুতে , অর্থাৎ বিগ ব্যাং এর আহে মহাবিশ্বের অবস্থা এই কৃষ্ঞগহ্বরের মতই ছিল । আর এই অবস্থকে এই ২ থিওরী দিয়ে ব্যাখ্যা করতে গেলে একই সমস্যা দেখা দিচ্ছে । তারা এক সময় ভেঙে পড়ছে । এমন আরও অনেক ক্ষেত্রে এই তত্ত্ব ব্যার্থ । আর এসব কারণেই এদের মধ্যে একটা মিলনের দরকার ।

2 like 0 dislike
answered Jan 25, 2014 by আজাদ (4,233 points)

স্ট্রিং থিওরী বিস্তারিত

আসলে এই থিওরী এখনও পর্যন্ত শুধু অংক কষে প্রমাণ করা সম্ভব হয়েছ । এর বাস্তব প্রমাণ হাজির করা সম্ভব হয় নি । কারণটা একটু পরেই ব্যাখ্যা করছি । আমরা জানি , সকল পদার্থই ক্ষুদ্র কণার সমষ্টি । কয়েক বছর আগেও আমরা ইলেকট্রোন , প্রোটন , নিউট্রন ও আরও কিছু কণিকাকে মৌলিক কণিকা বলে জানতাম ।তারপর প্রমাণিত গয় , একমাত্র মৌলিক কণিকা হল কোয়ার্ক ও ইলেকট্রন । প্রোটন , নিউট্রনসহ অন্যান্য কলিকা গুলো কোয়ার্ক থেকে সৃষ্ট । কিন্তু এখন আর তা নেই ।এখন স্ট্রিং থিওরী অনুযায়ী এইসব কণিকা গুলোকে ভাংলে পাওয়া যাবে স্ট্রিং । এর দৈর্ঘ হল ১০-৩৩ সে.মি ।অর্থাৎ প্লাঙ্কের স্কেলের সমান । বুঝতেই পারছেন , কেন এই স্ট্রিং থিওরী হাতে কলমে প্রমাণ করা এখন সম্ভব নয় । কারণ এই অত ক্ষুদ্র স্ট্রিং কে দেখতে হলে আমাদের প্রযুক্তি অনেক উন্নত হতে হবে । এই থিওরী অনুযায়ী কোয়ার্ক ও ইলেকট্রন হল স্ট্রিং দ্বারা সৃষ্ট । নিচের চিত্রটি খেযাল করুন :

এ স্ট্রিং একরকম সুতো বা তন্তুর মত । এর ধর্ম হল কাপা বা কম্পিত হওয়া । এর বিভিন্ন রকম কম্পন বিন্যাসের কারণেই সৃষ্টি হয় বিভিন্ন কণিকা । যেমন, এটি একরকম ভাবে বিন্যস্ত হলে ইলেকট্রন সৃষ্টি হয় , আরেকরকম বিন্যাসের কারণে সৃষ্টি হয় কোয়ার্কের । আর এই বিন্যাসের জন্য আঠা হিসেবে কাজ করে এই চারটি মৌলিক বল । অর্থাৎ, আমরা যেসব মৌলিক কণিকার কথা জানি , তারা আসলে এই স্ট্রিং এর বিভিন্ন মাত্রা ও বিন্যাসের কম্পন ছাড়া আর কিছুই নয় । নিচের চিত্র টা দেখুন । বিষয়টা ক্লিয়ার হবে ।

আর এই তত্ত্ব এর মাধ্যমে চারটি বলকে একই সুতোয় গাথা সম্ভব হল । কারণ , আমরা জানি মহাকর্ষ বলের জন্য দায়ী গ্রাভিটন নামক কণা । এরকম প্রত্যেক বলের জন্যই এক ধরণের কণা দায়ী , যেমন তড়িৎ চুম্বকীয় বলের জন্য ফোটন ।এখন স্ট্রিং তত্ত্ব আমাদের বলছে যে গ্রাভিটন হল প্লাঙ্কের দৈর্ঘের কম্পনশীল একধরণের কণা । এখন আমরা জানি যে গ্রাভিটন কণাই হল মহাবিশ্বক্ষেত্রের সবথেকে ক্ষুদ্র কণা ।

এখন গোল বাধল আরেক স্থানে । এই তত্ত্ব অনুয়ায়ী অংক কষে দেখা গেছে যে মহাবিশ্ব চর্তুমাত্রিক নয় । মহাবিশ্বে মাত্রা রয়েছে ১০ টি । তা কী ভাবে সম্ভব ? বিজ্ঞানীরা এখনও আমাদের দৃশ্যমান ৪ মাত্রা বাদে অন্য মাত্রা গুলো যে কেমন হতে পারে তা কল্পনাও করতে পারেন নি । তবে এগুলো কেন আমরা দেখতে পাই না তা এই স্ট্রিং তত্ত্বের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করা সম্ভব হয়েছে । কারণ , দেখুন , অনেক সময় একটা সুতো কে যদি খুব দ্রুত কম্পিত করা হয় তবে আমরা সেটিকে ভাল দেখতে পাইনা , বা ভাল বুঝতে পারি না যে সেটা কী । বা কিছু কিছু ক্ষেত্রে কোন দড়িকে আমরা দূর থেকে দেখতে পাই না । জাদুকরেরা এই দড়ি নিয়ে অনেক খেলা দেখান , যেখানে দর্শক দড়ি দেখতে না পেয়ে তাকে সত্যিকারের জাদু মনে করে । তা , সেইরকম ভাবে , এই বাদবাকী মাত্রাগুঅেও সেরকম । মহাবিশ্ব সৃষ্টির সময় ওই মাত্রাগুলোর অন্যরকম বিন্যাসের কারণে আমরা তাদের দেখতে পাই না । হয়ত মহাবিশাব সৃষ্টির সময় সেগুলো কোকরানো অবস্থায় থেকে গেছে , ফলে বিস্তারিত হতে পারেনি । আর যেগুলো বিস্তার লাভ করেছে , সেগুলোই আমরা দেখতে পাই বা অনুভব করতে পারি ।

এসবের বাইরেও স্ট্রিং থিওরীর অনেক আলোচনা আছে যা এখানে বললে সবাই বুঝবে না । আাম এখাসে জাস্ট বিষয়টা সহজ সরল ভাষায় বলতে চেষ্টা করেছি যাতে সবাই এটা বুঝতে পারে । এই হল স্ট্রিং থিওরীর অ আ ক খ ।

1 like 1 dislike
answered Oct 20, 2013 by জিরো টু ইনফিনিটি (1,659 points)
edited Oct 20, 2013 by Abdullah Al Mahmud

জিরো টু ইনফিনিটির ফেসবুক গ্রুপে (https://www.facebook.com/groups/zero2inf/579443915437941/?notif_t=group_comment_reply) রিপ্লাই অংশে বিভিন্ন ব্যক্তি তাদের মতামত ও যুক্তি তর্ক উপস্থাপন করেছেন। তারই কয়েকটি মন্তব্য এখানে তুলে ধরা হল। 

Adwit Kanti Routh বলেছিলেন- আসলেই স্ট্রিং থিওরী ভুয়া। আমি আগেও অন্য একজনে status এ একটা comment এ এই কথা বলছিলাম।

যার প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে মুনতাসির ইবনে শামস্ বলেন- এটাকে সরাসরি ভুয়া বলা ঠিক হচ্ছে না।আসলে এটা গাণিতিক ভাবে স্বয়ং সম্পূর্ণ কিন্তু এটা য়ে সত্য বা সত্য নয় তা কোন পরীক্ষা দ্বারা এখনও প্রমাণ করা সম্ভব হয়নি।তাছাড়া বিজ্ঞানে অনেক কিছুরই ভবিষ্যতবাণী অাগে গাণিতিকভাবে পাওয়া গেছে।অার বর্তমানে স্ট্রিং থিওরী নিয়ে অনেক বড় বড় বিজ্ঞানীরা গবেষণা করছেন যাদের মধ্যে অাছেন মিচিও কাকু, লিওনার্দ সাসকিন,স্টিফেন হকিং সহ অনেক নামিদামি বিজ্ঞানী। 

Debayan Ghosh It is proposed theory till date ,roughly to say it is the combination of relativity mechanics and Quantum mechanics

এরকম একটি কমেন্ট করার পর Adwit Kanti Routh  Debayan Ghosh, কে ম্যানসন করে বলেন-  Brian green's ''Elegant Universe'' ডকুমেন্টরী & Avijit Roy's ''আলো হাতে চলিয়াছে আঁধারের যাত্রী'' বই told me that this theory is vague. Happy ? খুশি ? যত্তোসব। আর আপনি আর মানুষ পেলেন না। শুধু আমিই তো না, আরো অনেকে যেমন,Nazmul Sarder AshikSyed Arif Shah, এরাও তো সবাই স্ট্রিং থিওরীর পক্ষে কোন ভাল মন্তব্য করে নাই। উপরে তাকিয়ে দেখেন। বেছে বেছে আমাকেই ধরার কি দরকার ছিল ? আমাকেই mention করার কি দরকার ছিল ? যত্তোসব ফাওল। তাছাড়া আমি বুঝিনা, স্ট্রিং থিওরীকে কিছু বললে এত গায়ে লাগে কেন ? ধর্মানুভূতির মতো স্ট্রিংআনুভূতিও কাজ করে না কি কারো কারো মনে ? তাই তো দেখছি, স্ট্রিং থিওরীকে কিছু বললেই............ সবাই একদম চেপে ধরে - কেন আমি স্ট্রিং থিওরীকে কিছু বললাম। স্ট্রিং থিওরীর পরীক্ষালব্ধ প্রমাণর পক্ষে না পারে কোন evidence show করতে, তারপরও পটরপটর। মেজাজ খিঁচড়ে যায়।

এতে করে Debayan Ghosh ও বসে থাকেন নি । তিনি তার তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়ায় জানান- Adwit bondhu Strings theory ki tumi porecho ado ? Strings akhono proposed theory ata akhno porikhha r bapar, oteb na jane orbachinar moton comment na korai bhalo mone hoyজিরো টু ইনফিনিটির ফেসবুক গ্রুপে (https://www.facebook.com/groups/zero2inf/579443915437941/?notif_t=group_comment_reply) রিপ্লাই অংশে বিভিন্ন ব্যক্তি তাদের মতামত ও যুক্তি তর্ক উপস্থাপন করেছেন। তারই কয়েকটি মন্তব্য এখানে তুলে ধরা হল। 

Adwit Kanti Routh বলেছিলেন- আসলেই স্ট্রিং থিওরী ভুয়া। আমি আগেও অন্য একজনে status এ একটা comment এ এই কথা বলছিলাম।

যার প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে মুনতাসির ইবনে শামস্ বলেন- এটাকে সরাসরি ভুয়া বলা ঠিক হচ্ছে না।আসলে এটা গাণিতিক ভাবে স্বয়ং সম্পূর্ণ কিন্তু এটা য়ে সত্য বা সত্য নয় তা কোন পরীক্ষা দ্বারা এখনও প্রমাণ করা সম্ভব হয়নি।তাছাড়া বিজ্ঞানে অনেক কিছুরই ভবিষ্যতবাণী অাগে গাণিতিকভাবে পাওয়া গেছে।অার বর্তমানে স্ট্রিং থিওরী নিয়ে অনেক বড় বড় বিজ্ঞানীরা গবেষণা করছেন যাদের মধ্যে অাছেন মিচিও কাকু, লিওনার্দ সাসকিন,স্টিফেন হকিং সহ অনেক নামিদামি বিজ্ঞানী। 

Debayan Ghosh It is proposed theory till date ,roughly to say it is the combination of relativity mechanics and Quantum mechanics

এরকম একটি কমেন্ট করার পর Adwit Kanti Routh  Debayan Ghosh, কে ম্যানসন করে বলেন-  Brian green's ''Elegant Universe'' ডকুমেন্টরী & Avijit Roy's ''আলো হাতে চলিয়াছে আঁধারের যাত্রী'' বই told me that this theory is vague. Happy ? খুশি ? যত্তোসব। আর আপনি আর মানুষ পেলেন না। শুধু আমিই তো না, আরো অনেকে যেমন,Nazmul Sarder AshikSyed Arif Shah, এরাও তো সবাই স্ট্রিং থিওরীর পক্ষে কোন ভাল মন্তব্য করে নাই। উপরে তাকিয়ে দেখেন। বেছে বেছে আমাকেই ধরার কি দরকার ছিল ? আমাকেই mention করার কি দরকার ছিল ? যত্তোসব ফাওল। তাছাড়া আমি বুঝিনা, স্ট্রিং থিওরীকে কিছু বললে এত গায়ে লাগে কেন ? ধর্মানুভূতির মতো স্ট্রিংআনুভূতিও কাজ করে না কি কারো কারো মনে ? তাই তো দেখছি, স্ট্রিং থিওরীকে কিছু বললেই............ সবাই একদম চেপে ধরে - কেন আমি স্ট্রিং থিওরীকে কিছু বললাম। স্ট্রিং থিওরীর পরীক্ষালব্ধ প্রমাণর পক্ষে না পারে কোন evidence show করতে, তারপরও পটরপটর। মেজাজ খিঁচড়ে যায়।

এতে করে Debayan Ghosh ও বসে থাকেন নি । তিনি তার তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়ায় জানান- Adwit bondhu Strings theory ki tumi porecho ado ? Strings akhono proposed theory ata akhno porikhha r bapar, oteb na jane orbachinar moton comment na korai bhalo mone hoy

1 like 1 dislike
answered Oct 20, 2013 by জিরো টু ইনফিনিটি (1,659 points)
edited Oct 20, 2013 by Abdullah Al Mahmud

আমাদের ফেসবুক গ্রুপে আরও যারা মন্তব্য করলেনঃ-

মুনতাসির ইবনে শামস্ বলেছেন-  "এই মহান বিজ্ঞানীর কথা মাথায় রেখে আশা করি তুমি আর স্ট্রিং থিওরীর পক্ষে কোন কথা বলবা না" এই কথা বলা যুক্তি যুক্ত নয় কারণ তুমি এখানে একজন বিজ্ঞানীর কথা বলছ কিন্তু অারো অনেক মহান বিজ্ঞানী এটা নিয়ে গবেষণা করে যাচ্ছে ।যেমন নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানী স্টিভেন ভাইনবার্গ স্ট্রিং থিওরীর পক্ষে বলেছেন-"লোকে অনেক সময় বলে থাকে যে, স্ট্রিং থিওরী আর কোন বিজ্ঞান নয়-এটি হল একটি মরমীবাদ,কারণ এর সাথে পরীক্ষা-নিরীক্ষার কোন সম্পর্ক নেই।আমি মনে করি না এ অভিযোগ সঠিক। আমি মনে করি তন্তু তত্ত্ববাদীরা এমন কিছু সম্পন্ন করার চেষ্টায় আছেন যা একদিন অবশ্যই স্বীকৃতি পাবে।যদি তাদের এই প্রচেষ্টা সকল শ্রেণীর প্রাকৃতিক বলগুলোকে একত্রিত করতে পারে,তবে একদিন তা পরীক্ষণ দ্বারাও প্রতিষ্ঠিত হবে্। এর অস্তিত্ব অবশ্য এমন কোন পরীক্ষা দিয়ে যাচাই করা যাবে না যা দিয়ে আমরা স্বয়ং তারগুলোর দেখা পেতে পারি-অর্থাৎ এই দেখাটা স্থানের কোন অংশকে চিকন করে কাটা 'ছিন্ন ক্ষুদ্র একমাত্র ফালি '-যাকে আমরা 'তার' বলি,এরকম দেখা নয়।এই তত্ত্ব পরীক্ষার সাহায্যে যাচাই করার অর্থ হবে ,পদার্থবিদ্যার যে ব্যাপারগুলো এখনএ রহস্যময়,সে সব বিষয়ের ব্যাখ্যা দিতে এ তত্ত্ব সক্ষম হবে। এটি সাধারণ বিজ্ঞানেরই অংশ। তবে দুর্ভাগ্য এই যে,বিজ্ঞানের অন্যান্য অংশের তুলনায় পর্য়বেক্ষণ আওতা থেকে এর অবস্থান অনেকটা দূরে ,তবে একবারেই আশাহীন দূরত্বে নয়।"

Abdullah Mushfik  , Adwit Kanti Routh কে  উদ্দেশ্য করে ববলেছেন-

এর পূর্বোক্ত একটি comment এ উল্লেখিত কথা অনুযায়ী, বিজ্ঞানী গ্ল্যাশো তো বলছেই যে, ''যেহেতু এ থিওরী ভুল প্রমাণ করা সম্ভব না। কাজেই এ থিওরী সম্পূর্ণ নিরাপদ কেননা একটি সার্থক তত্ত্বের অত্যাবশ্যকীয় গুণ 'বাতিলযোগ্যতা' যা এ থিওরীর নেই, এখনআমার জিজ্ঞাসা এটি কি সত্যি পদার্থবিদ্যা নাকি দর্শন ?'' ....বিজ্ঞানী গ্ল্যাশো তো ভুল কিছু বলে নাই....... তাই না ? so ? যদি অদ্বিত বা যেকোন ব্যাক্তি এ থিওরী পরীক্ষার মাধ্যমে ভুল প্রমাণ করতে না পারে, তো সেটা মানাই উচিত না। অদ্বিত কাউকে এ থিওরীর পক্ষে কথা বলতে বাঁধা দিচ্ছে না। সে তো কেবল তাকে উদ্দেশ্য করে কিছু বলতে মানা করছে। ব্যস্। কোন বিজ্ঞানী এ থিওরী মানে আর কেউ মানে না। so, এই বিতর্কিত থিওরী নিয়া ক্যাচাল না করাই ভাল। ...... অন্তত আমার তাই মনে হয়। 

Question followers

0 users followed this question.

Related questions

4,677 questions

5,802 answers

1,861 comments

16,023 users

120 Online
0 Member And 120 Guest
Most active Members
this month:
  1. Reduan Hossain Riad - 1 points
  2. The Rysul - 1 points
Gute Mathe-Fragen - Bestes Mathe-Forum
...