Welcome to Zero to Infinity Q&A. To ask questions or answer any question please Register first. Thank You.

বিবর্তনবাদ নিয়ে কার মনে কী কী প্রশ্ন আছে? (অবশ্যই বিজ্ঞানভত্তিক ও যৌক্তিক প্রশ্ন )

5 like 7 dislike
1,218 views
asked Jul 24, 2013 in Life by বোকা কাক (196 points)
50% Accept Rate
আমি সবার কাছ থেকে প্রশ্ন আহ্বান করছি। এবং অবশ্যই আশা করছি সবাই এই প্রশ্নের উত্তরে সুন্দর সুন্দর যৌক্তিক প্রশ্ন রাখবেন।

বিজ্ঞানের বাইরে অন্য কোন বিষয় টেনে আনবেন না।

আমি বলছি না, আমিই সব উত্তর দিবো। কিন্তু যেহেতু এখানে অনেক প্রশ্নকর্তা আর উত্তরদাতা আছেন, তাই এখানেই সকলের ভেতর থেকে ভাল ভাল প্রশ্নগুলো বের হয়ে আসবে  আর আমরা সেগুলো নিয়ে ভাবতে পারবো - আমি সেটাই আশা করি।

তাহলে শুরু হোক প্রশ্ন দিয়ে মালা গাঁথা...
Share at -

1 Answer

1 like 4 dislike
answered Jul 24, 2013 by shakib (847 points)
Manusher ki leg cilo
commented Aug 31, 2013 by abdullahdmc (242 points)
More about Why Bacterial Resistance is not an example of NeoDarwinims: http://www.trueorigin.org/bacteria01.asp

More about why Human did not evolve from a common ancestor: 'Science and Human Origin' by Dr. Ann Gauzer, Dr. Douglus Axe and Casey Luskin
commented Sep 1, 2013 by abdullahdmc (242 points)
edited Sep 1, 2013 by abdullahdmc
Single Neucleotide Polymorphism তথা SNP এর ঘটনাগুলো যদি নন সিনোনিমাস হয় এবং তা কোডিং রিজিওন, কন্ট্রোল রিজিওন বা এনহেনসার রিজিওনে হয় তা ভ্যারিয়েশন তৈরী করবে। কন্ট্রোল রিজিওন বা এনহেনসার রিজিওনে মিউটেশন কোন একটি ট্রেইটকে সাপ্রেস করবে বা ওভার এক্সপ্রেস করবে। কিন্তু নতুন কোন প্রোটিন তৈরী করতে পারবে না। আবার কোডিং রিজিওনে হলে তা কতটুকু হতে পারবে সেটার লিমিট নিয়ে উপরে আলোচনা করেছি। অর্থাৎ কোডিং রিজিওনে মিউটেশন (নন সিনোনিমাস)ততক্ষন পর্যন্ত টোলারেট করবে যতক্ষন পর্যন্ত প্রোটিনটির মূল ফাংশন অক্ষুন্ন থাকে। এ কারনেই জেনেটিক এনালাইসিসে SNP-এর উদাহরণ হিসেবে সিনোনিমাস সাবস্টিটিউশন বেশী পাওয়া যায়। কারণ মানুষের বংশপরম্পরায় যেগুলো ডিলেটারিয়াস না সেগুলোই সিলেক্ট হবে।

ইন্টারেস্টিং একটি বিষয় হতে পারে, যদি ডুপ্লিকেটেড জিনে নিওফাংশনালাইজেশন হয়। কিন্তু সেটা কেন সম্ভব নয় তা উপরের Ann Gauger এবং Douglux Axe এর এক্সপেরিমেন্ট দেখিয়ে দিয়েছে। এই এক্সপেরিমেন্টটিও প্রণিধানযোগ্য:
http://bio-complexity.org/ojs/index.php/main/article/view/BIO-C.2010.1/BIO-C.2010.1

এক্সন শাফলিং কি নতুন কার্যকরী প্রোটিন তৈরী করতে পারে? এই হাইপোথিসিস এনসিয়েন্ট প্রোটিনগুলোর অরিজিন ব্যাখ্যা করতে পারে না, এটি অলরেডি এক্সিসটিং এক্সন ডোমেইনগুলোর অরিজিন ব্যাখ্যা করতে পারে না এবং শাফলিং করে যে এক্সপেরিমেন্ট করা হয়েছে তাতে দেখা যায় প্রোটিন ডোমেইন মডুলার নয়, ফলে নতুন শাফলগুলো স্ট্যাবল টারসিয়ারী স্ট্রাকচার তৈরী করতে পারে না।
commented Sep 1, 2013 by প্রয়াস (659 points)
১. আপানার কথামত, আপনি যেটারে গেইন অব ফাংশন বলবেন, সেইটাই একমাত্র গেইন হব ফাংশন। কোন প্রোটিন যদি তার কর্মক্ষমতা অর্ধেক করিয়া বাচিঁইয়া থাকার উপায় বাইর করে, তাহাকে আপনি তথ্য-প্রাপ্তি হিসেবে মানিবেন না।

২. আপনার মতে মিউটেশানের মাধ্যমে মিউটেশানের মাধ্যমে প্রোটিন এক্সপ্রেশান বাড়তে পারে না... একটু হাসিয়া লই...দুঃখিত ভাইয়া, প্রোমোটর, কিংবা এনহ্যান্সার জিনে মিউটেশানের মাধ্যমে কোন প্রোটিনের এক্সপ্রেশান বাড়তে পারে...

৩. সাবস্টেট স্পেসিফিসিটি বদলানো বলতে, আমি বদলানোই বুঝিয়েছি। নাকি এমন হতে পারে সেটাই আপনি জানেন না?

৪. শুধুমাত্রা আকার-পরিবর্তনকে যদি আপনার ফাংশন মনে না হয়, তাইল কইতে হয় বিবর্তনে ফাংশন বলতে কি বুঝায় তাই আপনে বুঝতে ব্যর্থ হইছেন।

৫. প্রথমে কইয়াই দিছিলেন, ৩৫ খানা মিউটেশান বংশধরে ট্রান্সফার হয় না। যাইহোক এখন কিছুটা লাইনে আসছেন। আরেকটু আসা প্রয়োজন। ৩৫ খানার মাঝে ২-১ টি আপানার কোডিং রিজিয়নেও থাকতে পারে। আর ভাইয়া, কোডিং রিজিয়নে মিউটেশান হইলেই আপনে মইরা যাইবেন না। এক্টিভ সাইটে হইলে মরতে পারেন... এখন কোডিং রিজিয়নে কিছু হইলে আপনার সেই প্রোটীনটি কিছুটা কার্যক্ষমতা হারাইতে পারে, লাভ করতে পারে, নতুন গুন যেমন, স্ট্যাবিলিটি, হাফ লাইফ বাড়তে পারে... তো এইগুলা আমাদের সবার মাঝেই একটু আকটু আছে... এইগুলাই বিবর্তনের সোর্স।

৬. ভাই, আপনে যে কিছু হইলেই গুগল এ গিয়ে , "evolution not true proof" লিখা সার্চ মারেন তাহাতে আর সন্দেহ পাইতেছি না। বিবর্তনের শত শত প্রমাণ থাকার পরও আপনে ফ্যাজেলাম-এর উদারহরনটাই খুইজা বের করে ফেলছেন। ওকে, লেট মে ভ্যারী ফ্যাংক... বিবর্তন কোন সূত্র না যে, আপনি সূত্র দিয়ে অংক কইষা ফেলবেন। ব্যাক্টেরিয়ার বিবর্তন ৩.৫ বিলিয়ন বছরের ইতিহাস। প্রথম দিকের বিবর্তনে মিঊটেশানের চেয়েও বেশি তাৎপর্যপূর্ণ অনেক নিয়ামক ছিলো। যেমন, ইউক্যারিয়ট কোষ এসেছে দুই-তিনটি ভিন্নরকম প্রোক্যারিয়টের এন্ডোসিমবায়োসিসের মাধ্যমে। আগেই বলেছি, ব্যাকটেরিয়ার বিবর্তন ৩.৫ বিলিয়ন বছরের ইতিহাস, ফ্যাজেলামের ব্যাপার দু-একটি ঘটনার একটি যেখানে আরো গবেষণার দরকার আছে... কিছু হাইপোথিসিস আছে, যেমন, হতে পারে ব্যাক্টেরিয়ার ফ্লাজেলা অন্য একটি ক্ষুদ্র জীব থেকে এন্ডোসিমবায়োসিস প্রক্রিয়ায় এসেছে এবং সেই জীবটি এখনো পাওয়া যায়নি... লক্ষ লক্ষ ঘটনার প্রমাণসহ ব্যাখ্যা বিবর্তন দিয়েছে, এইক্ষেত্রে প্রদত্ত ব্যাখ্যাটি এখনো প্রমানিত নয়, কিন্তু এমনতো নয় যে এই ঘটনাটি বিবর্তনকে ভুল প্রমাণ করে দিয়েছে...

৭. আমি একটি করিয়া যুক্তিখন্ডন করি, আর আপনি কারেকশন করিয়া ইন্টারনেট কিংবা বইয়ের পাতায় কিংবা ব্রেইন হাতাইয়া কিছু নন-ফিটিং কিছু উদারহরন টানিয়া আরেকটি পোষ্ট দিয়া বসেন... ভাইয়া দুঃখিত, টাইপ করিতে করিতে হাপাইয়া পড়িয়াছি। ডিএমসিতে পড়েন, আসুন একদিন কার্জনের এদিকে... বিস্তারিত আলাপ করি। হাজার হাজার বিজ্ঞানীরতো বিবর্তনবাদ প্রমাণ করিয়া বেহেস্ত লাভ হইবে না। সত্য মাঝে মাঝে মানিয়া নিতে কষ্ট হয়, কিন্তু মানিয়া লইতে হয়। যাইহোক, সামনা সামনি আলোচনা করতে চাইলে আমার এই সাইটের একাউন্টে জানাইবেন... এটাই এই পোস্ট-এ আমার শেষ কমেন্ট।
commented Sep 1, 2013 by abdullahdmc (242 points)
edited Sep 1, 2013 by abdullahdmc
১. কোন প্রোটিন যদি তার কর্মক্ষমতা অর্ধেক করিয়া বাচিঁইয়া থাকার উপায় বাইর করে, তাহাকে আপনি তথ্য-প্রাপ্তি হিসেবে মানিবেন না।
এখানে কোন নতুন তথ্য প্রাপ্ত হল না। অথচ একটি প্রোটিনকে আরেকটি ভিন্ন  কাজের প্রোটিনে পরিণত করতে হলে নতুন তথ্য প্রাপ্ত হতে হবে। আপনি নিজে রেনডম মিউটেশনের মধ্য দিয়ে কোন নতুন তথ্য প্রাপ্তির (বা নিউফাংশনালাইজেশনের) কোন উদাহরণ আনতে না পেরে এরিয়ে যাওয়ার অপচেষ্টা করেছেন। প্রত্যেকটি কমেন্টেই আপনার এই প্রবণতা লক্ষ্যনীয়।

২) প্রোমোটর, কিংবা এনহ্যান্সার জিনে মিউটেশানের মাধ্যমে কোন প্রোটিনের এক্সপ্রেশান বাড়তে পারে...
আমার দ্বিতীয় কমেন্টে এই বিষয়টি প্রকাশ করেছি। সে হিসেবে প্রথম কমেন্টের বিষয়টি নিজেই সংশোধন করে দিয়েছি। তবে এতে মূল বক্তব্য একই থাকে। কারণ কোন একটি নির্দিষ্ট ফাংশনের প্রোটিনের এক্সপেশন বেড়ে যাওয়া মানে নতুন ফাংশন সৃষ্টির দিকে প্রোটিনের অগ্রযাত্রা নয়।
   
৩. সাবস্টেট স্পেসিফিসিটি বদলানো বলতে, আমি বদলানোই বুঝিয়েছি। নাকি এমন হতে পারে সেটাই আপনি জানেন না?

-আপনার এই উদাহরণটা ব্যাকটেরিয়ার এন্টিবায়োটিক রেজিসটেন্স ডেভেলপমেন্টের কনটেক্সটে উল্লেখিত। সেই প্রেক্ষিতে আমার এমন কোন উদাহরণ জানা নেই। হ্যাঁ এর বাইরে- সাবস্ট্রেট স্পেসিফিসিটি পরিবর্তনের এমন কোন উদাহরণও আমার জানা নেই যেখানে পূর্ববর্তী ফাংশনকে অক্ষুন্ন রেখে নিওফাংশনালাইজেশন হয়েছে। যতগুলো স্টাডি আছে, তাতে কমপেয়ারেটিভ জিনোমিক্স ব্যবহার করে কিছু কনজেকচার করা হয়েছে। এটা আগেই বলেছি যে মলিকিউলার হোমোলোজী বিবর্তনের উদাহরণ নয়। কেন পূর্ববতী ফাংশন অক্ষত রাখা গুরুত্বপূর্ণ?

একটি ব্যাকটেরিয়া গ্লুকোজ ব্যাবহার করে। ব্যাকটেরিয়াতে গ্লুকোকাইনেজ এনজাইম আছে। গ্লুকোকাইনেজ এনজাইম প্রথম ফসফরাইলেশনের কাজটা করার মাধ্যমে গ্লুকোজ কে গ্লাইকোলাইসিসে পাঠালো। এখন কোন মিউটেশনের মধ্য দিয়ে গ্লুকোকাইনেজের সাবস্ট্রেট স্পেসিফিসিটি পরিবর্তন হয়ে গেলে। গ্লুকোজ যুক্ত পরিবেশে ব্যাকটেরিয়াটি মারা যাবে। ধরি উক্ত পরিবেশে গ্যালাকটোজ আছে। ধরি, হাইপোথেটিক্যালী গ্লুকোকাইনেজের সাবস্ট্রেট স্পেসিফিসিটি গ্যালাকটোজের দিকে চলে গেল। তাহলেও ব্যাকটেরিয়াটি বাঁচতে পারবে না। কারণ গ্লাইকোলাইসিসের পরবর্তী এনজাইমগুলোতে সেম স্পেসিফিসিটি পরিবর্তণ হতে হবে। সুতরাং সাবস্ট্রেট স্পেসিফিটি পরিবর্তন কিভাবে নতুন ফাংশনকে এলো করছে এবং রেনডম মিউটেশন কিভাবে বুঝবে যে তাকে পরবর্তী এনজাইমগুলো তথা: মিউটেজ, ফসফোফ্রুকটো কাইনেজ ইত্যাদিতে সমধরনের পরিবর্তন আনতে হবে?
হ্যা যদি এটা হয় যে গ্লুকোকাইনেজ তার স্পেসিফিসিটি অক্ষত রেখে গ্যালাকটোকাইনেজকেও বিক্রিয়া করাতে পারে তাহলে সেটা হবে একটি ভ্যালিড উদাহরণ। এ ধরনের উদাহরণ পেলে তা গ্রহন করতে আমি কোন সমস্যা দেখি না। তবে যদি এরকম উদাহরণ আনা হয় যে একিট এনজাইম যা দুটো সাবস্ট্রেটের স্পেসিফিক ছিল এবং পরবর্তীতে একটি সাবস্ট্রেটের প্রতি স্পেসিফিক হয়েছে, সেটা হবে 'লস অব ফাংশন'।       

৪. শুধুমাত্রা আকার-পরিবর্তনকে যদি আপনার ফাংশন মনে না হয়, তাইল কইতে হয় বিবর্তনে ফাংশন বলতে কি বুঝায় তাই আপনে বুঝতে ব্যর্থ হইছেন।

-আকার পরিবর্তনে ফাংশনের পরিবর্তন হয় না কোথাও বলিনি। বরং স্পষ্ট বলেছি যে প্রোটিনটি একটি এক্সিসটিং ফাংশনাল নেটওয়ার্কের মধ্যে আছে তাতে আকার পরিবর্তন একটি নির্দিষ্ট লিমিট পর্যন্ত টোলারেবল। অর্থাৎ এর মূল প্রোটিনটির মূল ফাংশন যতক্ষন সামান্য হলেও অক্ষত থাকে ততক্ষন। কিন্তু যদি মূল যে ফাংশনটি করছিল তা লস হয়ে যায় তাহলে সেটা কোন এনভাইরনমেন্টে আপাতত সারভাইভাল এডভানটেজ দিলেও উক্ত ফাংশনটি কিভাবে এল তা ব্যাখ্যা করতে পারে না। যেমন: সিকল সেল এনেমিয়া ম্যালেরিয়ার বিপরীতে লস অব ফাংশনের মধ্য দিয়েও আপাত সুবিধে দিতে পারে, কিন্তু তা মানুষে প্রকৃত এডভানটেজ যোগ করে না।
   
৬. এক্টিভ সাইটে হইলে মরতে পারেন... এখন কোডিং রিজিয়নে কিছু হইলে আপনার সেই প্রোটীনটি কিছুটা কার্যক্ষমতা হারাইতে পারে, লাভ করতে পারে, নতুন গুন যেমন, স্ট্যাবিলিটি, হাফ লাইফ বাড়তে পারে... তো এইগুলা আমাদের সবার মাঝেই একটু আকটু আছে... "এইগুলাই বিবর্তনের সোর্স"; --ভুল কনজেকচার। কারণ যে প্রোটিনটি কার্যক্ষমতা হারাল সেটি আপাত উপকার দিলেও র‍্যানডম মিউটেশন তাতে নতুন কার্যক্ষমতা আনতে পারবে না। কারণ এ ধরনের পরিবর্তন সিলেক্টেড হবে না। মানুষের কিডনীর ডিসটাল টিউবিউলে হাইড্রোজেন এটিপিএজ আয়ন চ্যানেলে যদি মিউটেশনের মধ্য দিয়ে সাবফাংশনালাইজেশন হয় সেক্ষেত্রে মানুষ ইউরিনে এসিডিফিকেশন কমে যাবে। মানুষটা হয়ত হাইপারভেন্টিলেটরী হলে বেঁচে যেতে পারে। কিন্ত যদি ফাংশন লস হয় তাহেল এসিডসিস হয়ে মারা পড়বে। অর্থাৎ পরিবর্তন সিলেকটেড হতে পারবেন না। সুতরাং বিবর্তনের গ্র্যাণ্ড ক্লেইম "ব্যাকটেরিয়া থেকে মানুষের আগমন" এখানে ব্যার্থ হল। কেননা তা নতুন ফাংশনের প্রোটিন আগমনকে ব্যাখ্যা করতে পারলো না।

৬.  বিবর্তনের শত শত প্রমাণ থাকার পরও আপনে ফ্যাজেলাম-এর উদারহরনটাই খুইজা বের করে ফেলছেন
-চরম মিথ্যাচার। নিজে কোন প্রমাণ কিন্তু উপস্থাপন করলেন না। বরং ফ্ল্যাজেলামের বিষয়টিতে উত্তর দিতে পারবেন না জেনে 'শত শত প্রমানের' মিথ্যাচার করে বসলেন। অবাক হইনি অবশ্য। কারণ 'বিবর্তন' একটি বিশ্বাসের বিষয় বিজ্ঞান নয়। মানুষ বিশ্বাসকে ডিফেণ্ড করতে অনেককিছুই করে।

"ইউক্যারিয়ট কোষ এসেছে দুই-তিনটি ভিন্নরকম প্রোক্যারিয়টের এন্ডোসিমবায়োসিসের মাধ্যমে"
- এটাকে বলে 'অনুমানকে প্রমাণ হিসেবে চালিয়ে দেয়া'; চাপাবাজি অন্তত বিজ্ঞানে শোভা পায় না। এ বিষয়টি যদি প্রমাণিত হয়ে থাকে এ সংক্রান্ত আর্টিকেলে রেফারেন্স দিতে বলব।       
 
৭) "আমি একটি করিয়া যুক্তিখন্ডন করি"- পুরো কমেন্ট ফলো করলে যে কেউ বুঝতে পারবে আপনি আদৌ কোন যুক্তি খণ্ডন করতে পেরেছেন কিনা। একটি জায়গায় আপনি আমাকে নতুন তথ্য দিয়েছেন এজন্য ধন্যবাদ। তবে, আপনি আমার মূল প্রশ্নটি ইচ্ছে করেই এরিয়ে যাচ্ছেন কেন তা বুঝতে কষ্ট হয় না।

"হাজার হাজার বিজ্ঞানীরতো বিবর্তনবাদ প্রমাণ করিয়া 'বেহেস্ত' লাভ হইবে না" ভালই, নিজের সাম্প্রদায়িক হীনমন্যতা প্রদর্শন না করলেই যেন নয়।

সত্য মাঝে মাঝে মানিয়া নিতে কষ্ট হয়, কিন্তু মানিয়া লইতে হয়। কিন্তু তারপরও আপনার তাহা লন না, পাছে আবার নিজের বিশ্বাসের ভিত্তি ভাঙ্গিয়া পরে। বিবর্তনবাদকে যেভাবে 'মিলিয়ন বছর' নামক যাদু দিয়ে, সকল Practicality এবং Resource Availability কে অগ্রাহ্য করে,বিশ্বাস করে নেন তাতেতো তাই মনে হয়।  

বিবর্তনবাদ নামক ভুল এসাম্পশনকে সত্য হিসেবে মেনে নেয়ার কোন কারণতো দেখিনা। যখন দেখবো উপযুক্ত প্রমাণ এর পেছনে আছে তখন এটা মেনে না নেয়ারও কারণ থাকবে না। ধন্যবাদ
commented Sep 1, 2013 by abdullahdmc (242 points)
প্রয়াস, সরাসরি আলোচনার আপনার আহবানের জন্য ধন্যবাদ। সময় ও সুযোগ পেলে অবশ্যই তা গ্রহন করবো। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেই বরং আসেন না একসময়।

Question followers

3 users followed this question.

Related questions

4,677 questions

5,802 answers

1,861 comments

16,017 users

41 Online
0 Member And 41 Guest
Most active Members
this month:
  1. Reduan Hossain Riad - 1 points
  2. The Rysul - 1 points
Gute Mathe-Fragen - Bestes Mathe-Forum
...