ইমার্জেন্সি কন্ট্রাসেপশন পিল কতটুকু স্বাস্থ্যসম্মত

ইমার্জেন্সি কন্ট্রাসেপশন পিল বা জন্মনিয়ন্ত্রণ পিলের কথা হয়তো অনেকেই শুনেছেন। এটি আসলে হরমোন ঔষধ। এটি স্পার্ম ট্রান্সপোর্টে বাঁধা দেয় অথবা অভুলাশনে বাঁধা দেয় কিমবা স্পার্ম  দিয়ে ডিম্ব পরিপক্ক করতে বাঁধা দেয়। আনপ্রটেক্টটেড সেক্সের ৫ দিন পর্যন্ত এগুলো গ্রহন করে জন্ম নিয়ন্ত্রন সম্ভব। তবে প্রেগন্যান্ট যে হবে না তার সম্ভাবনা ৮৫%, আর এগুলো সেবনের পরেও প্রেগন্যান্ট হওয়ার সম্ভাবনা ১৫%। কারন কেননা ৫ দিন পর্যন্তও স্পার্মে মেয়েদের শরীরে  বেচে থাকতে পারে বা ২৪ ঘন্টার আগেও তা কাজ করতে পারে।এটি মূলত সহবাসের ৫ দিনের মধ্যে গ্রহন করার নিয়ম, কিন্তু ৭২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রহন করলে সবচেয়ে বেশি সুফল পাওয়া যায়। এটি সাধারনাত একটি পিলের প্যাক থাকে। তবে কিছু কিছু দুইটি পিলের প্যাকও হয়ে থাকে। বিভিন্ন পরিস্থিতিতে ইমার্জেন্সি কন্ট্রাসেপশন পিল গ্রহনের প্রয়জনীয়তা পরতে পারে। ড্রাঙ্ক অবস্থায় সেক্স করলে, সেক্স করার মাঝে কনডম ফেটে গেলে, বা সাধারন পিল নিতে ভুলে গেলে এটি বেশ কাজে দেয়। এছাড়া অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু অবস্থায়, যেমন রেইপের ক্ষেত্রে ইমার্জেন্সি কন্ট্রাসেপশন পিল বিপদ কিছুটা হলেও কমাতে পারে।  ৭২ ঘন্টা বলা হলেও ২৪ ঘন্টার মাঝে এটি গ্রহন করাই সবচেয়ে নিরাপদ। তবে মনে রাখবেন ইমারজেন্সি পিল খাওয়া জন্মনিয়ন্ত্রক পদ্ধতি নয়। আর নিয়মিত ইমারজেন্সি পিল খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভাল নয়।

পার্শপতিক্রিয়াঃ সত্যি কথা বলতে ইমার্জেন্সি কন্ট্রাসেপশন পিলের অনেক পার্শপতিক্রিয়া রয়েছে, যা অনেক ভয়ঙ্কর রুপ ধারন করতে পারে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এসব সমস্যা হয়ে থাকে। যেমনঃ১। পেট ব্যথা২। বমি৩। মাসিকের সমস্যা৪। গর্ভধারণে সমস্যাএসব কারণে ডাক্তাররা খুব বেশি প্রয়োজন না হলে ইমার্জেন্সি কন্ট্রাসেপশন পিল প্রেস্ক্রাইব করেন না। আর এটা বয়সের সাথেও মাত্রা নির্ভর করে। সাবধান, কখনোই অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ ব্যতিত ইমার্জেন্সি কন্ট্রাসেপশন পিল গ্রহন করবেন না।