জিকা ভাইরাসের মাইক্রোস্কোপিক ভিউ

ছবিটি বর্তমান সময়ের অন্যতম বহুল আলোচিত #জিকা_ভাইরাসের_মাইক্রোস্কোপিক_ভিউ! বামের সাদা-কালোটিই মূল ছবি। ডানের ছবিকে জিকা ভাইরাসের পৃষ্ঠদেশ ভালোভাবে বোঝার জন্য রঙিন করা হয়েছে। জিকার এ ছবিটি তোলার জন্য যে পদ্ধতিটি কাজে লাগানো হয়েছে তাকে বলে ক্রায়ো-ইলেকট্রন মাইক্রোস্কোপি। এজন্য প্রথমে ভাইরাসটিকে পানি/লবণের দ্রবণে রেখে স্থিতিশীল অবস্থায় আনা হয়। এরপর সেটিকে অত্যন্ত নিম্ন তাপমাত্রায় নিয়ে আসার পরই ইলেকট্রন বীমের সাহায্যে এসব মাইক্রোস্কোপিক ভিউ পাওয়া যায়। এভাবে গবেষকেরা ভাইরাসটির কোনো ক্ষতি না করেই এর কোষ এবং প্রোটিনের গঠন দেখতে সক্ষম হয়েছেন। সাদা-কালো ছবির একেকটি বৃত্ত হলো একেকটি আলাদা প্রোটিন।

আক্রান্ত দেহের কোষে প্রবেশের সাথে জড়িত এ প্রোটিনগুলো। এ ধরনের মাইক্রোস্কোপিক ইমেজগুলো ভালোভাবে পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে জিকা ভাইরাস কীভাবে স্নায়ু কোষে আক্রমণ করে, কীভাবে তারা Guillain–Barré সিনড্রোমের উদ্ভব ঘটায় এবং কীভাবে মাইক্রোসেফালির মতো অবস্থার সূচনা করে তা জানা যাবে। উল্লেখ্য, মাইক্রোসেফালি বলতে একটি শিশুর অস্বাভাবিক রকমের ছোট মাথা নিয়ে জন্মানোকে বোঝায়।